Dhaka 1:39 am, Saturday, 18 July 2026

১১ মাস পর দেশে ফিরল আইজুরের মরদেহ, বিচার চায় পরিবার

  • Reporter Name
  • Update Time : 01:50:09 pm, Saturday, 4 April 2026
  • 6 Time View

নিজস্ব প্রতিবেদক:

দীর্ঘ ১১ মাস পর ভারতের কারাগার ও হাসপাতাল ঘুরে অবশেষে দেশে ফিরেছে ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার দিনমজুর আইজুর রহমানের (৩৫) মরদেহ। শুক্রবার দুপুরে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া সীমান্ত দিয়ে তাঁর মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

নিহত আইজুর রহমান উপজেলার সাহানাবাদ গ্রামের মরতুস আলীর ছেলে। পরিবারের অভিযোগ, গত বছরের মে মাসে বাংলাদেশের সীমান্ত এলাকা থেকে বিএসএফ সদস্যরা তাঁকে ধরে নিয়ে যায় এবং নির্মমভাবে মারধর করে। পরে ভারতীয় একটি ভিডিওর মাধ্যমে জানা যায়, তিনি শিলিগুড়ির একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

পরিবার জানায়, আইনি জটিলতার কারণে দীর্ঘদিন তাঁর কাছে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি। অবশেষে গত ২২ মার্চ এক ভারতীয় আইনজীবীর মাধ্যমে তাঁর মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হয়।
আইজুরের স্ত্রী বলেন,
“আমার স্বামী কোনো অপরাধী ছিলেন না। জ্যান্ত ধরে নিয়ে গেল, আর এখন ফিরল তাঁর লাশ। আমি এই হত্যার বিচার চাই।”
মরদেহ হস্তান্তরের সময় সীমান্তে বিজিবি ও বিএসএফ উপস্থিত ছিল। এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করা হয়েছে।
শুক্রবার সন্ধ্যায় নিজ গ্রামে জানাজা শেষে তাঁকে দাফন করা হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

গৌরীপুর রাজবাড়ির সবচেয়ে প্রাচীন ভবন: গৌরীপুর প্রতিষ্ঠার ইতিহাসের স্বাক্ষী ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট

১১ মাস পর দেশে ফিরল আইজুরের মরদেহ, বিচার চায় পরিবার

Update Time : 01:50:09 pm, Saturday, 4 April 2026

নিজস্ব প্রতিবেদক:

দীর্ঘ ১১ মাস পর ভারতের কারাগার ও হাসপাতাল ঘুরে অবশেষে দেশে ফিরেছে ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার দিনমজুর আইজুর রহমানের (৩৫) মরদেহ। শুক্রবার দুপুরে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া সীমান্ত দিয়ে তাঁর মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

নিহত আইজুর রহমান উপজেলার সাহানাবাদ গ্রামের মরতুস আলীর ছেলে। পরিবারের অভিযোগ, গত বছরের মে মাসে বাংলাদেশের সীমান্ত এলাকা থেকে বিএসএফ সদস্যরা তাঁকে ধরে নিয়ে যায় এবং নির্মমভাবে মারধর করে। পরে ভারতীয় একটি ভিডিওর মাধ্যমে জানা যায়, তিনি শিলিগুড়ির একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

পরিবার জানায়, আইনি জটিলতার কারণে দীর্ঘদিন তাঁর কাছে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি। অবশেষে গত ২২ মার্চ এক ভারতীয় আইনজীবীর মাধ্যমে তাঁর মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হয়।
আইজুরের স্ত্রী বলেন,
“আমার স্বামী কোনো অপরাধী ছিলেন না। জ্যান্ত ধরে নিয়ে গেল, আর এখন ফিরল তাঁর লাশ। আমি এই হত্যার বিচার চাই।”
মরদেহ হস্তান্তরের সময় সীমান্তে বিজিবি ও বিএসএফ উপস্থিত ছিল। এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করা হয়েছে।
শুক্রবার সন্ধ্যায় নিজ গ্রামে জানাজা শেষে তাঁকে দাফন করা হবে।