Dhaka 2:01 pm, Thursday, 10 September 2026

গৌরীপুর পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে এসএসসিতে পাসের হার ৮০.৪৬ শতাংশ

গৌরীপুর পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে এসএসসিতে পাসের হার ৮০.৪৬ শতাংশ

ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে গৌরীপুর পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় (EIIN: 111674)-এর পাসের হার হয়েছে ৮০.৪৬ শতাংশ। বিদ্যালয়টি থেকে এবার মোট ২৬১ জন পরীক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর মধ্যে ২১০ জন শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে এবং ৩৫ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে।

বিদ্যালয়ের প্রকাশিত ফলাফলের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এ বছর বিদ্যালয়টির বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা—তিনটি বিভাগ থেকেই শিক্ষার্থীরা এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়।

বিজ্ঞান বিভাগে সাফল্য
বিজ্ঞান বিভাগে মোট ৭২ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়। তাদের মধ্যে ৭১ জন কৃতকার্য হয়েছে। এ বিভাগে ১ জন শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছে। ওই শিক্ষার্থীর রোল নম্বর ২১৭২৫৯।
বিজ্ঞান বিভাগে প্রায় শতভাগ শিক্ষার্থী কৃতকার্য হওয়ায় এ বিভাগে বিদ্যালয়ের ফলাফল সন্তোষজনক বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
মানবিক বিভাগে ১৩৫ জন পাস

মানবিক বিভাগে এবার সর্বোচ্চ ১৮৪ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর মধ্যে ১৩৫ জন কৃতকার্য এবং ৪৯ জন অকৃতকার্য হয়েছে। ফলে এ বিভাগে পাসের হার তুলনামূলকভাবে কম হয়েছে।
ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগ

ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগ থেকে মোট ৫ জন শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর মধ্যে ৪ জন কৃতকার্য এবং ১ জন অকৃতকার্য হয়েছে। অকৃতকার্য শিক্ষার্থীর রোল নম্বর ৬০১৭১৯।
৩৫ শিক্ষার্থীর জিপিএ-৫

বিদ্যালয়ের সার্বিক ফলাফলের অন্যতম উল্লেখযোগ্য দিক হলো ৩৫ জন শিক্ষার্থীর জিপিএ-৫ অর্জন। বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে এ ফলাফল নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করা হয়েছে।

বিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্টরা জানান, শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পাঠদান, শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের আন্তরিক প্রচেষ্টা এবং অভিভাবকদের সহযোগিতার ফলে এই ফলাফল অর্জন সম্ভব হয়েছে। ভবিষ্যতে পাসের হার আরও বাড়ানোর পাশাপাশি জিপিএ-৫-এর সংখ্যা বৃদ্ধির লক্ষ্যে শিক্ষার্থীদের আরও নিবিড়ভাবে পাঠদানের পরিকল্পনা রয়েছে।

গৌরীপুরের ঐতিহ্যবাহী এই নারী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষা বিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। ২০২৬ সালের এসএসসি ফলাফলও বিদ্যালয়টির শিক্ষার মানোন্নয়নের ধারাবাহিকতায় নতুন একটি পরিসংখ্যান হিসেবে যুক্ত হলো।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

গৌরীপুর পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে এসএসসিতে পাসের হার ৮০.৪৬ শতাংশ

Update Time : 12:20:03 pm, Monday, 10 August 2026
গৌরীপুর পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে এসএসসিতে পাসের হার ৮০.৪৬ শতাংশ

ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে গৌরীপুর পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় (EIIN: 111674)-এর পাসের হার হয়েছে ৮০.৪৬ শতাংশ। বিদ্যালয়টি থেকে এবার মোট ২৬১ জন পরীক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর মধ্যে ২১০ জন শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে এবং ৩৫ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে।

বিদ্যালয়ের প্রকাশিত ফলাফলের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এ বছর বিদ্যালয়টির বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা—তিনটি বিভাগ থেকেই শিক্ষার্থীরা এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়।

বিজ্ঞান বিভাগে সাফল্য
বিজ্ঞান বিভাগে মোট ৭২ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়। তাদের মধ্যে ৭১ জন কৃতকার্য হয়েছে। এ বিভাগে ১ জন শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছে। ওই শিক্ষার্থীর রোল নম্বর ২১৭২৫৯।
বিজ্ঞান বিভাগে প্রায় শতভাগ শিক্ষার্থী কৃতকার্য হওয়ায় এ বিভাগে বিদ্যালয়ের ফলাফল সন্তোষজনক বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
মানবিক বিভাগে ১৩৫ জন পাস

মানবিক বিভাগে এবার সর্বোচ্চ ১৮৪ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর মধ্যে ১৩৫ জন কৃতকার্য এবং ৪৯ জন অকৃতকার্য হয়েছে। ফলে এ বিভাগে পাসের হার তুলনামূলকভাবে কম হয়েছে।
ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগ

ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগ থেকে মোট ৫ জন শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর মধ্যে ৪ জন কৃতকার্য এবং ১ জন অকৃতকার্য হয়েছে। অকৃতকার্য শিক্ষার্থীর রোল নম্বর ৬০১৭১৯।
৩৫ শিক্ষার্থীর জিপিএ-৫

বিদ্যালয়ের সার্বিক ফলাফলের অন্যতম উল্লেখযোগ্য দিক হলো ৩৫ জন শিক্ষার্থীর জিপিএ-৫ অর্জন। বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে এ ফলাফল নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করা হয়েছে।

বিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্টরা জানান, শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পাঠদান, শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের আন্তরিক প্রচেষ্টা এবং অভিভাবকদের সহযোগিতার ফলে এই ফলাফল অর্জন সম্ভব হয়েছে। ভবিষ্যতে পাসের হার আরও বাড়ানোর পাশাপাশি জিপিএ-৫-এর সংখ্যা বৃদ্ধির লক্ষ্যে শিক্ষার্থীদের আরও নিবিড়ভাবে পাঠদানের পরিকল্পনা রয়েছে।

গৌরীপুরের ঐতিহ্যবাহী এই নারী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষা বিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। ২০২৬ সালের এসএসসি ফলাফলও বিদ্যালয়টির শিক্ষার মানোন্নয়নের ধারাবাহিকতায় নতুন একটি পরিসংখ্যান হিসেবে যুক্ত হলো।