Dhaka 9:10 pm, Thursday, 10 September 2026

গৌরীপুরে ‘স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট ও ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং প্রোগ্রাম’ অনুষ্ঠিত, পুরস্কৃত ৩ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান

“মেধা-বিজ্ঞান-উদ্ভাবনের দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ”—এই প্রত্যয়কে সামনে রেখে শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী চিন্তা, বিজ্ঞানচর্চা ও উদ্যোক্তা মনোভাব বিকাশের লক্ষ্যে শুক্রবার (১২ জুন) সকাল থেকে ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলা কার্যালয় প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট অ্যান্ড ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং প্রোগ্রাম’।

দিনব্যাপী এ আয়োজনের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে জানানো হয়, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর-এর এডুকেশনাল এক্সিলেন্স সাপোর্ট স্কিমের আওতায় প্রথমবারের মতো এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা, বৈজ্ঞানিক মনন ও উদ্যোক্তা হওয়ার আগ্রহ বৃদ্ধিতে এ আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন। আয়োজিত এ প্রদর্শনীতে উপজেলার ১০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অংশ নেয়। এতে ক্ষুদে বিজ্ঞানীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণা, বিজ্ঞানভিত্তিক প্রজেক্ট ও সম্ভাবনাময় স্টার্টআপ উদ্যোগ উপস্থাপন করেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মিজ আফিয়া আমিন পাপ্পা।

কর্মসূচির লক্ষ্য হলো শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত নৈপুণ্যের উন্নয়ন, আনন্দময় শিক্ষার মাধ্যমে ভবিষ্যতের সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলা এবং মুখস্থনির্ভর শিক্ষার পরিবর্তে সৃজনশীলতা, সমস্যা সমাধানের সক্ষমতা, বিশ্লেষণধর্মী চিন্তা ও উদ্ভাবনী দক্ষতার বিকাশ ঘটানো।

বিচারকদের মূল্যায়নে টেক্সটাইল ভোকেশনাল ইনস্টিটিউট, গৌরীপুর প্রথম, গৌরীপুর সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ দ্বিতীয় এবং ডক্টর মোহাম্মদ রেজাউল করিম উচ্চ বিদ্যালয় তৃতীয় স্থান অর্জন করে। উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার কমল কুমার রায়ের সঞ্চালনায় বিজয়ী শিক্ষার্থীদের হাতে পুরস্কার ও মেধা সনদ তুলে দেন অতিথিরা। উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান, শিক্ষক, ছাত্র ও অভিভাবকরা। তাছাড়াও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সরকারি কর্মকর্তা, সুধীজন ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে ইউএনও মিজ আফিয়া আমিন পাপ্পা বলেন, শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিজ্ঞানচর্চা ও উদ্ভাবনী মানসিকতা গড়ে তুলতে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তিনি বলেন, বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে টিকে থাকতে হলে পাঠ্যবইয়ের গণ্ডি পেরিয়ে বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও গবেষণামুখী চিন্তায় দক্ষতা অর্জন করতে হবে। আয়োজকরা জানান, নতুন প্রজন্মকে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষায় উদ্বুদ্ধ করা এবং ভবিষ্যৎ উদ্যোক্তা তৈরির লক্ষ্যেই এ প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

গৌরীপুরে ‘স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট ও ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং প্রোগ্রাম’ অনুষ্ঠিত, পুরস্কৃত ৩ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান

Update Time : 10:55:27 pm, Friday, 12 June 2026

“মেধা-বিজ্ঞান-উদ্ভাবনের দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ”—এই প্রত্যয়কে সামনে রেখে শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী চিন্তা, বিজ্ঞানচর্চা ও উদ্যোক্তা মনোভাব বিকাশের লক্ষ্যে শুক্রবার (১২ জুন) সকাল থেকে ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলা কার্যালয় প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট অ্যান্ড ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং প্রোগ্রাম’।

দিনব্যাপী এ আয়োজনের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে জানানো হয়, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর-এর এডুকেশনাল এক্সিলেন্স সাপোর্ট স্কিমের আওতায় প্রথমবারের মতো এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা, বৈজ্ঞানিক মনন ও উদ্যোক্তা হওয়ার আগ্রহ বৃদ্ধিতে এ আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন। আয়োজিত এ প্রদর্শনীতে উপজেলার ১০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অংশ নেয়। এতে ক্ষুদে বিজ্ঞানীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণা, বিজ্ঞানভিত্তিক প্রজেক্ট ও সম্ভাবনাময় স্টার্টআপ উদ্যোগ উপস্থাপন করেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মিজ আফিয়া আমিন পাপ্পা।

কর্মসূচির লক্ষ্য হলো শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত নৈপুণ্যের উন্নয়ন, আনন্দময় শিক্ষার মাধ্যমে ভবিষ্যতের সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলা এবং মুখস্থনির্ভর শিক্ষার পরিবর্তে সৃজনশীলতা, সমস্যা সমাধানের সক্ষমতা, বিশ্লেষণধর্মী চিন্তা ও উদ্ভাবনী দক্ষতার বিকাশ ঘটানো।

বিচারকদের মূল্যায়নে টেক্সটাইল ভোকেশনাল ইনস্টিটিউট, গৌরীপুর প্রথম, গৌরীপুর সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ দ্বিতীয় এবং ডক্টর মোহাম্মদ রেজাউল করিম উচ্চ বিদ্যালয় তৃতীয় স্থান অর্জন করে। উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার কমল কুমার রায়ের সঞ্চালনায় বিজয়ী শিক্ষার্থীদের হাতে পুরস্কার ও মেধা সনদ তুলে দেন অতিথিরা। উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান, শিক্ষক, ছাত্র ও অভিভাবকরা। তাছাড়াও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সরকারি কর্মকর্তা, সুধীজন ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে ইউএনও মিজ আফিয়া আমিন পাপ্পা বলেন, শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিজ্ঞানচর্চা ও উদ্ভাবনী মানসিকতা গড়ে তুলতে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তিনি বলেন, বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে টিকে থাকতে হলে পাঠ্যবইয়ের গণ্ডি পেরিয়ে বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও গবেষণামুখী চিন্তায় দক্ষতা অর্জন করতে হবে। আয়োজকরা জানান, নতুন প্রজন্মকে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষায় উদ্বুদ্ধ করা এবং ভবিষ্যৎ উদ্যোক্তা তৈরির লক্ষ্যেই এ প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে।