Dhaka 4:25 am, Friday, 11 September 2026

রংপুরে গণমাধ্যমকর্মীর বিরুদ্ধে ‘মিথ্যা ধর্ষণ মামলা’ অভিযোগ

  • Reporter Name
  • Update Time : 01:54:41 pm, Wednesday, 1 April 2026
  • 14 Time View

নিজস্ব প্রবেদক:

রংপুরে এক গণমাধ্যমকর্মীর বিরুদ্ধে দায়ের করা ধর্ষণ মামলাকে মিথ্যা ও হয়রানিমূলক বলে অভিযোগ উঠেছে। মামলার বাদী হাসিনা বেগম জোছনা (৪৫) নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-০১, রংপুরে সি.আর. নং-৫৭/২৫ মামলা দায়ের করেন।

এজাহারে উল্লেখ করা হয়, ২০২৫ সালের ২৪ জুলাই রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ভেতরে আসামি মামুন শিকদার ওরফে মাটি মামুন বাদীর পথরোধ করে তাকে জোরপূর্বক গাড়িতে তুলে নিয়ে যান।

তবে অভিযুক্ত মাটি মামুন, যিনি একটি জাতীয় দৈনিকের রংপুরের বিশেষ প্রতিনিধি, দাবি করেন—ঘটনার দিন তিনি পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে জাহিদ হাসান জনি, জিন্নাত জয়-সহ ১০-১৫ জনের হামলার শিকার হন। এতে তিনি গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন বলেও জানান।

তার অভিযোগ, ওই হামলার ঘটনা ধামাচাপা দিতে বাদী তার বিরুদ্ধে এই মামলা করেছেন। এছাড়া মামলায় বাদী তার দুই ছেলে জাহিদ হাসান জনি ও জিন্নাত জয়কে সাক্ষী করায় বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, প্রথম সাক্ষী জনি দীর্ঘদিন ধরে কারাগারে হাজতবাসে রয়েছেন।

এ ঘটনায় মাটি মামুন রংপুর মেট্রোপলিটন কোতোয়ালি থানায় পাল্টা মামলা করেন, যার জি.আর. নং-১৯৫/২৫।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সেলোয়ারা বেগম জানান, বাদীর বক্তব্যের ভিত্তিতে প্রাথমিক তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে জমা দেওয়া হয়েছে।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে বাদী হাসিনা বেগম জোছনার সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

রংপুরে গণমাধ্যমকর্মীর বিরুদ্ধে ‘মিথ্যা ধর্ষণ মামলা’ অভিযোগ

Update Time : 01:54:41 pm, Wednesday, 1 April 2026

নিজস্ব প্রবেদক:

রংপুরে এক গণমাধ্যমকর্মীর বিরুদ্ধে দায়ের করা ধর্ষণ মামলাকে মিথ্যা ও হয়রানিমূলক বলে অভিযোগ উঠেছে। মামলার বাদী হাসিনা বেগম জোছনা (৪৫) নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-০১, রংপুরে সি.আর. নং-৫৭/২৫ মামলা দায়ের করেন।

এজাহারে উল্লেখ করা হয়, ২০২৫ সালের ২৪ জুলাই রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ভেতরে আসামি মামুন শিকদার ওরফে মাটি মামুন বাদীর পথরোধ করে তাকে জোরপূর্বক গাড়িতে তুলে নিয়ে যান।

তবে অভিযুক্ত মাটি মামুন, যিনি একটি জাতীয় দৈনিকের রংপুরের বিশেষ প্রতিনিধি, দাবি করেন—ঘটনার দিন তিনি পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে জাহিদ হাসান জনি, জিন্নাত জয়-সহ ১০-১৫ জনের হামলার শিকার হন। এতে তিনি গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন বলেও জানান।

তার অভিযোগ, ওই হামলার ঘটনা ধামাচাপা দিতে বাদী তার বিরুদ্ধে এই মামলা করেছেন। এছাড়া মামলায় বাদী তার দুই ছেলে জাহিদ হাসান জনি ও জিন্নাত জয়কে সাক্ষী করায় বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, প্রথম সাক্ষী জনি দীর্ঘদিন ধরে কারাগারে হাজতবাসে রয়েছেন।

এ ঘটনায় মাটি মামুন রংপুর মেট্রোপলিটন কোতোয়ালি থানায় পাল্টা মামলা করেন, যার জি.আর. নং-১৯৫/২৫।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সেলোয়ারা বেগম জানান, বাদীর বক্তব্যের ভিত্তিতে প্রাথমিক তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে জমা দেওয়া হয়েছে।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে বাদী হাসিনা বেগম জোছনার সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।