Dhaka 7:07 pm, Tuesday, 27 October 2026

গৌরীপুরে সার ডিলার নিয়োগে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ: সংবাদ সম্মেলন ও কৃষিমন্ত্রী বরাবর আবেদন

​নিজস্ব প্রতিবেদক ও মো. লুৎফর রহমান খান খোকন, এসিএ নিউজ, গৌরীপুর (ময়মনসিংহ):

ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলায় সার ডিলার নিয়োগ প্রক্রিয়ায় ব্যাপক অনিয়ম, দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি ও ‘ফ্যাসিস্টদের পুনর্বাসনের’ অভিযোগ উঠেছে। প্রকাশিত বিতর্কিত তালিকা বাতিল করে সম্পূর্ণ স্বচ্ছ ও নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে প্রকৃত ব্যবসায়ীদের মাঝে ডিলারশিপ প্রদানের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন এবং কৃষিমন্ত্রী বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

​সোমবার (১২ অক্টোবর ২০২৬) দুপুরে গৌরীপুর প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব বিস্ফোরক অভিযোগ তোলেন মেসার্স মুন্সী এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী ও গৌরীপুর পৌর কৃষক দলের সভাপতি মো. গোলাম কাজীয়েল হাজাত মুন্সী (শাহী মুন্সী)।

​সংবাদ সম্মেলনে গোপন নিয়োগ ও কোটি টাকার বাণিজ্যের অভিযোগ

​সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে শাহী মুন্সী বলেন, উপজেলার ১০টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভায় অত্যন্ত গোপন প্রক্রিয়ায় সার ডিলার নিয়োগ কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়েছে। তিনি নিজে ডৌহাখলা ইউনিয়নের ডিলারশিপের জন্য নিয়ম অনুযায়ী জামানত ও প্রয়োজনীয় সরকারি খরচ দিয়ে আবেদন করেছিলেন। গত ২৪ সেপ্টেম্বর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত লটারিতে তাঁর আবেদনটি যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়ায় উত্তীর্ণ হয় এবং লটারির ভিডিও অনুযায়ী তিনি প্রথম স্থান অর্জন করেন। কিন্তু রহস্যজনকভাবে দাপ্তরিকভাবে তাঁকে কিছু না জানিয়ে চূড়ান্ত প্রকাশিত তালিকা থেকে তাঁর নাম বাদ দেওয়া হয়।

​তিনি আরও অভিযোগ করেন, সরকারি নিয়ম অনুযায়ী আবেদন করা হলেও উপজেলা প্রশাসন, জেলা প্রশাসন বা উপজেলা কৃষি অফিস থেকে আবেদনকারীদের চূড়ান্ত তালিকা বা যাচাই-বাছাইয়ের ফলাফল জনসমক্ষে প্রকাশ করেনি। সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়, একটি প্রভাবশালী চক্র প্রতিটি ডিলারশিপের বিনিময়ে ১৫ থেকে ২০ লাখ টাকার অলিখিত চুক্তির মাধ্যমে এই তালিকা চূড়ান্ত করেছে। এ অনৈতিক লেনদেনের কারণে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে এবং দীর্ঘদিন জেল-জুলুম সহ্য করা ত্যাগী নেতাকর্মী ও প্রকৃত ব্যবসায়ীরা অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। এছাড়া সদ্য প্রকাশিত তালিকার অনেকেই বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের দোসর এবং আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত পরিবারের সদস্য বলে তিনি দাবি করেন।

​সংবাদ সম্মেলনে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলা হয়, সরকারের নতুন প্রণীত “সার ডিলার নিয়োগ ও বিতরণ নীতিমালা” কঠোরভাবে অনুসরণ করে এই বিতর্কিত তালিকা অবিলম্বে বাতিল না করা হলে পরবর্তীতে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।

​কৃষিমন্ত্রী ও জেলা প্রশাসকের কাছে বিএনপির লিখিত দাবি ও আগাম অভিযোগ

​এর আগে রোববার (১১ অক্টোবর) সার ডিলার নিয়োগের এ বিতর্কিত তালিকা বাতিলের দাবি জানিয়ে কৃষিমন্ত্রী বরাবর লিখিত আবেদন জানান স্থানীয় বিএনপি নেতৃবৃন্দ। উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক মো. হাবিবুল ইসলাম খান শহীদ, ভারপ্রাপ্ত সদস্য সচিব মো. আব্দুর রহমান বাবুল, পৌর বিএনপির আহ্বায়ক মো. আলী আকবর আনিছ ও ভারপ্রাপ্ত সদস্য সচিব মো. রমজান হোসেন খান জুয়েলের যৌথ স্বাক্ষরে এ আবেদন জমা দেওয়া হয়।

​এছাড়া, ২ নম্বর গৌরীপুর ইউনিয়নে ডিলারশিপের জন্য আবেদনকারী মেসার্স আরিফ এন্টারপ্রাইজ নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনিয়মের আশঙ্কায় গত ২৪ সেপ্টেম্বর ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসক ও জেলা সার-বীজ মনিটরিং কমিটির সভাপতি বরাবর একটি আগাম লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছিলেন।

​রাজনৈতিক নেতা ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের বক্তব্য

​ডিলার নিয়োগ প্রসঙ্গে উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক হাবিবুল ইসলাম খান শহীদ বলেন, “সার ডিলার নিয়োগের বিষয়ে দল বা মন্ত্রী মহোদয় কিছুই জানেন না। আমাদেরকেও কোনো কিছু জানানো বা অবহিত করা হয়নি। আমরা দলীয়ভাবে এই তালিকা বাতিলের দাবিতে কৃষিমন্ত্রী বরাবর লিখিত আবেদন জানিয়েছি।” তবে এ বিষয়ে বক্তব্য নেওয়ার জন্য উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সদস্য সচিব আব্দুর রহমানের মুঠোফোনে একাধিকবার চেষ্টা করা হলেও তাঁর ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

​অন্যদিকে, ডিলার নিয়োগ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্নের বিষয়ে গৌরীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আফিয়া আমীন পাপ্পা জানান, “ডিলার নিয়োগে কোনো অনিয়মের বিষয় আমার জানা নেই। ডিলার তালিকা ওপরের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ তৈরি করেছেন।”

​উপজেলা সার ও বীজ মনিটরিং কমিটির সদস্য সচিব ও ভারপ্রাপ্ত উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কাওছার আহম্মদ খান জানান, ১০টি ইউনিয়ন ও পৌরসভা মিলে মোট ১৪১ জন ডিলারশিপের জন্য আবেদন করেছিলেন। এসব আবেদন ১১ জন কর্মকর্তা মাঠপর্যায়ে তদন্ত করেন এবং পরবর্তীতে ৩৩ জনের নাম সুপারিশ করে পাঠানো হয়। এই প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের অনিয়ম বা দুর্নীতির সাথে তিনি সম্পৃক্ত নন বলে দাবি করেন।

​সার্বিক বিষয়ে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসক মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, “প্রতিটি ইউনিয়ন থেকে ১৪-১৫ জন করে আবেদন করেছিলেন, কিন্তু পদ অনুযায়ী ডিলার দেওয়া হয়েছে ১ জনকে। ফলে যারা পাননি তারা সংক্ষুব্ধ হয়েছেন। নীতিমালা অনুযায়ীই চূড়ান্ত বাছাই করা হয়েছে। এরপরও কারও কোনো সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকলে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ নিয়ে আসলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

গৌরীপুরে সার ডিলার নিয়োগে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ: সংবাদ সম্মেলন ও কৃষিমন্ত্রী বরাবর আবেদন

Update Time : 08:59:57 am, Tuesday, 13 October 2026

​নিজস্ব প্রতিবেদক ও মো. লুৎফর রহমান খান খোকন, এসিএ নিউজ, গৌরীপুর (ময়মনসিংহ):

ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলায় সার ডিলার নিয়োগ প্রক্রিয়ায় ব্যাপক অনিয়ম, দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি ও ‘ফ্যাসিস্টদের পুনর্বাসনের’ অভিযোগ উঠেছে। প্রকাশিত বিতর্কিত তালিকা বাতিল করে সম্পূর্ণ স্বচ্ছ ও নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে প্রকৃত ব্যবসায়ীদের মাঝে ডিলারশিপ প্রদানের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন এবং কৃষিমন্ত্রী বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

​সোমবার (১২ অক্টোবর ২০২৬) দুপুরে গৌরীপুর প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব বিস্ফোরক অভিযোগ তোলেন মেসার্স মুন্সী এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী ও গৌরীপুর পৌর কৃষক দলের সভাপতি মো. গোলাম কাজীয়েল হাজাত মুন্সী (শাহী মুন্সী)।

​সংবাদ সম্মেলনে গোপন নিয়োগ ও কোটি টাকার বাণিজ্যের অভিযোগ

​সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে শাহী মুন্সী বলেন, উপজেলার ১০টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভায় অত্যন্ত গোপন প্রক্রিয়ায় সার ডিলার নিয়োগ কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়েছে। তিনি নিজে ডৌহাখলা ইউনিয়নের ডিলারশিপের জন্য নিয়ম অনুযায়ী জামানত ও প্রয়োজনীয় সরকারি খরচ দিয়ে আবেদন করেছিলেন। গত ২৪ সেপ্টেম্বর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত লটারিতে তাঁর আবেদনটি যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়ায় উত্তীর্ণ হয় এবং লটারির ভিডিও অনুযায়ী তিনি প্রথম স্থান অর্জন করেন। কিন্তু রহস্যজনকভাবে দাপ্তরিকভাবে তাঁকে কিছু না জানিয়ে চূড়ান্ত প্রকাশিত তালিকা থেকে তাঁর নাম বাদ দেওয়া হয়।

​তিনি আরও অভিযোগ করেন, সরকারি নিয়ম অনুযায়ী আবেদন করা হলেও উপজেলা প্রশাসন, জেলা প্রশাসন বা উপজেলা কৃষি অফিস থেকে আবেদনকারীদের চূড়ান্ত তালিকা বা যাচাই-বাছাইয়ের ফলাফল জনসমক্ষে প্রকাশ করেনি। সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়, একটি প্রভাবশালী চক্র প্রতিটি ডিলারশিপের বিনিময়ে ১৫ থেকে ২০ লাখ টাকার অলিখিত চুক্তির মাধ্যমে এই তালিকা চূড়ান্ত করেছে। এ অনৈতিক লেনদেনের কারণে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে এবং দীর্ঘদিন জেল-জুলুম সহ্য করা ত্যাগী নেতাকর্মী ও প্রকৃত ব্যবসায়ীরা অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। এছাড়া সদ্য প্রকাশিত তালিকার অনেকেই বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের দোসর এবং আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত পরিবারের সদস্য বলে তিনি দাবি করেন।

​সংবাদ সম্মেলনে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলা হয়, সরকারের নতুন প্রণীত “সার ডিলার নিয়োগ ও বিতরণ নীতিমালা” কঠোরভাবে অনুসরণ করে এই বিতর্কিত তালিকা অবিলম্বে বাতিল না করা হলে পরবর্তীতে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।

​কৃষিমন্ত্রী ও জেলা প্রশাসকের কাছে বিএনপির লিখিত দাবি ও আগাম অভিযোগ

​এর আগে রোববার (১১ অক্টোবর) সার ডিলার নিয়োগের এ বিতর্কিত তালিকা বাতিলের দাবি জানিয়ে কৃষিমন্ত্রী বরাবর লিখিত আবেদন জানান স্থানীয় বিএনপি নেতৃবৃন্দ। উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক মো. হাবিবুল ইসলাম খান শহীদ, ভারপ্রাপ্ত সদস্য সচিব মো. আব্দুর রহমান বাবুল, পৌর বিএনপির আহ্বায়ক মো. আলী আকবর আনিছ ও ভারপ্রাপ্ত সদস্য সচিব মো. রমজান হোসেন খান জুয়েলের যৌথ স্বাক্ষরে এ আবেদন জমা দেওয়া হয়।

​এছাড়া, ২ নম্বর গৌরীপুর ইউনিয়নে ডিলারশিপের জন্য আবেদনকারী মেসার্স আরিফ এন্টারপ্রাইজ নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনিয়মের আশঙ্কায় গত ২৪ সেপ্টেম্বর ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসক ও জেলা সার-বীজ মনিটরিং কমিটির সভাপতি বরাবর একটি আগাম লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছিলেন।

​রাজনৈতিক নেতা ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের বক্তব্য

​ডিলার নিয়োগ প্রসঙ্গে উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক হাবিবুল ইসলাম খান শহীদ বলেন, “সার ডিলার নিয়োগের বিষয়ে দল বা মন্ত্রী মহোদয় কিছুই জানেন না। আমাদেরকেও কোনো কিছু জানানো বা অবহিত করা হয়নি। আমরা দলীয়ভাবে এই তালিকা বাতিলের দাবিতে কৃষিমন্ত্রী বরাবর লিখিত আবেদন জানিয়েছি।” তবে এ বিষয়ে বক্তব্য নেওয়ার জন্য উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সদস্য সচিব আব্দুর রহমানের মুঠোফোনে একাধিকবার চেষ্টা করা হলেও তাঁর ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

​অন্যদিকে, ডিলার নিয়োগ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্নের বিষয়ে গৌরীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আফিয়া আমীন পাপ্পা জানান, “ডিলার নিয়োগে কোনো অনিয়মের বিষয় আমার জানা নেই। ডিলার তালিকা ওপরের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ তৈরি করেছেন।”

​উপজেলা সার ও বীজ মনিটরিং কমিটির সদস্য সচিব ও ভারপ্রাপ্ত উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কাওছার আহম্মদ খান জানান, ১০টি ইউনিয়ন ও পৌরসভা মিলে মোট ১৪১ জন ডিলারশিপের জন্য আবেদন করেছিলেন। এসব আবেদন ১১ জন কর্মকর্তা মাঠপর্যায়ে তদন্ত করেন এবং পরবর্তীতে ৩৩ জনের নাম সুপারিশ করে পাঠানো হয়। এই প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের অনিয়ম বা দুর্নীতির সাথে তিনি সম্পৃক্ত নন বলে দাবি করেন।

​সার্বিক বিষয়ে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসক মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, “প্রতিটি ইউনিয়ন থেকে ১৪-১৫ জন করে আবেদন করেছিলেন, কিন্তু পদ অনুযায়ী ডিলার দেওয়া হয়েছে ১ জনকে। ফলে যারা পাননি তারা সংক্ষুব্ধ হয়েছেন। নীতিমালা অনুযায়ীই চূড়ান্ত বাছাই করা হয়েছে। এরপরও কারও কোনো সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকলে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ নিয়ে আসলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”